মালটা যাওয়ার খরচ কেমন হয় সম্পর্কে সকল আপডেট তথ্য
বর্তমানে ইউরোপে বাংলাদেশীদের জন্য সবচেয়ে সহজ দেশ গুলোর মধ্যে একটি
হলো মালটা। মালটা যাওয়ার খরচ কেমন হয় সম্পর্কে সকল আপডেট তথ্য জানুন। মালটা
দেশটিতে বিভিন্ন সেক্টরে কাজের ভিসা রয়েছে। এখানে বিস্তারিত সকল আপডেট সমূহ
আলোচনা করা হয়েছে
এর ফলে মালটাই কাজ করার যোগ্যতার প্রয়োজনে কাগজপত্র মোট খরচ প্রক্রিয়ার
সময়কাল এবং কিভাবে আপনি আবেদন করতে পারবেন সবকিছু ধাপে ধাপে প্রতিটি ধাপে
আপনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে এজন্য এই আর্টিকেল টি মনোযোগ সহকারে সম্পন্ন
পড়ুন।
পোস্ট সূচিপত্র: মালটা যাওয়ার খরচ কেমন হয়
- মালটা যেতে কত টাকা লাগে
- মালটা যাওয়ার খরচ কেমন হয়
- মালটা ওয়ার্ক পারমিট ভিসা
- মালটা যেতে কি কি কাগজপত্র লাগবে
- মালটার আবেদন করার নিয়ম
- মালটা সর্বনিম্ন বেতন কত
- মালটা ভিসা পাওয়ার সহজ উপায়
- মালটায় কোন কাজের চাহিদা বেশি
- বাংলাদেশ থেকে মালটা যাওয়ার উপায়
- মালটায় যাওয়ার সেরা সুযোগ কোনটি
- মালটা যেতে কত সময় লাগে
- লেখক পরিচিতি
মালটা যেতে কত টাকা লাগে
মালটা যেতে কত টাকা লাগে এই সম্পর্ক বিস্তারিত জেনে নিন। মালটা ইউরোপের দর্শনীয়
দেশগুলোর মাঝে যেন এক প্রাকৃতিক বিস্ময়। মালটা যেতে কত টাকা লাগে এটি নির্ভর করে
আপনি কোন প্রক্রিয়া যাচ্ছেন তার ওপরে। এছাড়াও যদি আপনি সরকারি ব্যবস্থা দিতে
চান তাহলে আনুমানিক পাশ থেকে ৭ লক্ষ টাকা খরচ হতে পারে।
আর যদি বেসরকারিভাবে এজেন্সির মাধ্যমে যেতে চান তাহলে খরচ কিছুটা বেশি হয়। যেমন
সাধারণত ১২ থেকে ১৫ লক্ষ টাকার মধ্যে আপনাকে যেতে হবে। এর বাইরে আরো কিছু
অতিরিক্ত খরচ থাকে যেমন মেডিকেল পরীক্ষা বাসা ভাড়া বা টিকিটের খরচ ইত্যাদি
আনুসাঙ্গিক খরচ সমূহ হয়।
এর বাইরে আরো কিছু অতিরিক্ত খরচ আপনার থাকে । মালটা যাওয়ার মূলত দুইটা উপায় আছে
একটি হলো এজেন্সির মাধ্যমে আরেকটা হলো নিজের উদ্যোগে কোম্পানির মাধ্যমে সরাসরি
আবেদন করে যেতে হবে।
এবং সাম্প্রতিক সময়ে দেশটিতে বাংলাদেশ কর্মীদের জন্য কাজের ভিসার প্রক্রিয়া
আগে তুলনা অনেক সহজ করে দিয়েছে। কারণ এখানে বিভিন্ন সেক্টরে এবং বিভিন্ন
ক্যাটাগরিতে কাজের সুযোগ রয়েছে যার ফলে বাংলাদেশের কর্মীরা তাদের কাজের বিষের
মাধ্যমে সেখানে গিয়ে কাজ করার সুযোগ পাবেন। যদি আপনি মালটাট ওয়ার্ক পারমিট
ভিসা নিয়ে আগ্রহী হন তবে আপনার জন্য এই আর্টিকেল টি।
আপনি যদি নিজে কোম্পানির মাধ্যমে যেতে চান তাহলে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির সঙ্গে
যোগাযোগ করে চাকরির চুক্তি কন্টাক্ট করতে হবে আপনাকে। কোম্পানি আপনার আবেদন গ্রহণ
করলে তারা আপনার ভিসা প্রসেসিং শুরু করবে এবং আপনাকে মাল্টা নিয়ে যেতে পারবে।
মালটা যাওয়ার খরচ কেমন হয়
মালটা যাওয়ার খরচ কেমন হয় এই সম্পর্ক বিস্তারিত জেনে নিন। মালটা যেতে কত টাকা
লাগে এটি নির্ভর করে আপনি কোন প্রক্রিয়া যাচ্ছেন তার ওপরে। এছাড়াও যদি আপনি
সরকারি ব্যবস্থা দিতে চান তাহলে আনুমানিক পাশ থেকে ৭ লক্ষ টাকা খরচ হতে পারে। আর
যদি বেসরকারিভাবে এজেন্সির মাধ্যমে যেতে চান তাহলে খরচ কিছুটা বেশি হয়।
যেমন সাধারণত ১২ থেকে ১৫ লক্ষ টাকার মধ্যে আপনাকে যেতে হবে। এর বাইরে আরো কিছু
অতিরিক্ত খরচ থাকে যেমন মেডিকেল পরীক্ষা বাসা ভাড়া বা টিকিটের খরচ ইত্যাদি
আনুসাঙ্গিক খরচ সমূহ হয়। আপনি যদি সরকারি উপায় ছাড়া এজেন্সির মাধ্যমে চান
তাহলে নির্দিষ্ট কোন খরচ নির্ধারণ করা কঠিন কারণ প্রতিটি এজেন্সি ফি ও সেবা ভিন্ন
হয়ে থাকে।
কিন্তু যদি আপনি সরাসরি কোম্পানির মাধ্যমে যান তাহলে খরচ তুলনামূলকভাবে স্পষ্ট
নির্ধারিত থাকে। সাধারণভাবে বলতে গেলে কোম্পানির মাধ্যমে আবেদন করলে প্রথমে আপনার
দিতে হবে ওয়ার্ক পারমিট ফি ৬০০ ইউরো।
এছাড়া ওয়ার্ক পারমিট অনুমোদন পেলে কোম্পানি আপনাকে প্রয়োজনীয় সব
ডকুমেন্টস বিনামূল্যে সরবরাহ করবে। তবে অনুমোদনের পর প্রায়শো ৩০০ থেকে ৪০০ ইউরো
খরচ হতে পারে। ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া এম্বাসিডার ডিএসএস সেন্টার এর ২৫০ ইউরো আর
ভিসা ফি হিসেবে প্রায় ১৫০ ইউরো দিতে হবে।
সবশেষে ডকুমেন্ট তৈরি ও অন্যান্য প্রসেসিং এ আরও ১৫০ থেকে ২০০ ইউরো পর্যন্ত খরচ
হতে পারে। যা আপনার বাংলাদেশের টাকায় আনুমানিক ২ লক্ষ টাকার বেশি কিছু। এক কথায়
দুই লক্ষ টাকার বেশি।
মালটা ওয়ার্ক পারমিট ভিসা
মালটা ওয়ার্ক পারমিট ভিসা সম্পর্কে জেনে নিন। মালটায় যেতে চাইলে শুধু মালটার
যাওয়ার খরচ কেমন জানলে হবে না বরং মালটার ওয়ার্ক পারমিট ভিসার আবেদন প্রক্রিয়া
জানা সমান জরুরী। ২০২৬ সালের মালটা সরকার বিদেশি কর্মীদের জন্য নতুনভাবে বিভিন্ন
সেক্টরে নিয়োগের পরিকল্পনা করেছে।
আর এ পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে হলে আপনাকে সবকিছু জানতে হবে। বর্তমানে নির্মাণ
হসপিটালে ফ্যাক্টরি ডেলিভারি সার্ভিস এবং কৃষিখাতে প্রচুর কর্মসংস্থান সৃষ্টি
হয়েছে। আর এজন্যই বিদেশী শ্রমিকদের জন্য মালটা সরকার ভিসা প্রক্রিয়া আরো সহজ
দ্রুত করার চেষ্টা করেছে।
আগে যেখানে ভিসা প্রসেসিং শেষ হতে ছয় থেকে আট মাস সময় লাগতো এখন তা কমেছে তিন
থেকে পাঁচ মাসের মধ্যে সম্পন্ন হচ্ছে। ২০২৬ সালের মাল্টায় পুরায় ১৫ হাজার নতুন
কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে তা বিদেশী কর্মীদের জন্য একটা বড় সুযোগ।
বর্তমানে মালটার কোম্পানিগুলোর জন্য কিছু নতুন ও গঠন নিয়ম চালু হয়েছে যাতে কেউ
প্রতারণা শিকার না হয় এর ফলে বাংলাদেশের শ্রমিকদের জন্য ভালো। বাংলাদেশ থেকে
মাল্টি কাজের উদ্দেশ্যে যেতে হলে আপনাকে প্রথমে একটি চাকরির অফার পেতে হবে। যা
মালটার কোন কোম্পানি ভাই জেন্টস এর মাধ্যমে পাওয়া যায়।
এক্ষেত্রে অবশ্যই নিশ্চিত হতে হবে যে রিঙ্কু টি এম এজেন্সি সরকার অনুমোদিত এবং
বৈধভাবে নিয়োগ দিচ্ছে কিনা এ সম্পর্কে আপনাকে সঠিক তথ্য গ্রহণ করতে হবে। চাকরির
অফার পাওয়ার পরে সে কোম্পানি আপনার পক্ষে থেকে ওয়ার্ক পারমিট এর জন্য আপনাকে
আবেদন করতে হবে সেখানে। কোম্পানি থেকে অনুমোদন পাওয়ার পরে আপনি মালটার ওয়ার্ক
অফিসে আবেদন করতে পারবেন।
অর্থাৎ মালটাই বৈধভাবে কাজ করতে হলে প্রথমে একটি নির্ভরযোগ্য কোম্পানি বা
অনুমোদিত এজেন্সির সঙ্গে যোগাযোগ করে ওয়ার্ক পারমিট নিশ্চিত করতে হবে আপনাকে।
এভাবে মালটার ওয়ার্ক ভিসা প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়ে থাকে।
মালটা যেতে কি কি কাগজপত্র লাগবে
মালটা যেতে কি কাগজপত্র লাগবে এই সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন। মালটাই কাজের জন্য
যেতে হলে প্রথমে আপনার নিয়োগকর্তাকে আপনার হয়ে অফ পারমিটের জন্য আবেদন করতে
হবে। পারমিট অনুমোদন পাওয়ার পর আপনি মালটা দ্রুতাবাসে বা অনলাইনে পোর্টালের
মাধ্যমে বিশাল আবেদন সম্পন্ন করতে পারবেন।
বাংলাদেশ থেকে আবেদন করার ক্ষেত্রে এটি সাধারণত ভিএফএস গ্লোবালের মাধ্যমে সম্পন্ন
করতে হয়। এছাড়াও ভিসা আবেদন করার সময় কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র অবশ্যই
প্রস্তুত রাখতে হবে। এবং যেসব কাগজপত্র রাখবে সেগুলো নিচে দেওয়া হলো বৈধ
পাসপোর্ট পাসপোর্ট এর মেয়াদ নূন্যতম ছয় মাস থাকতে হবে।
শিক্ষাগত যোগ্যতা সনদ আপনি যে যোগ্যতার ভিত্তিতে কাজ করতে চাচ্ছেন তা সনদ
প্রয়োজন পড়বে।মেডিকেল সার্টিফিকেট আপনার স্বাস্থ্য পরীক্ষার প্রমাণপত্র থাকতে
হবে। পাসপোর্ট সাইজের ছবি সাম্প্রতিক তোলা ছবি জমা দিতে হবে। জীবন বৃত্তান্ত সিভি
আপনার অভিজ্ঞত ও যোগ্যতা বিস্তারিতভাবে উল্লেখ্য করতে হবে।
ভিসা আবেদন ফরম মাল্টার ভিসার জন্য নির্ধারিত ফরম পূরণ করতে হবে। কাজের অভিজ্ঞতার
সার্টিফিকেট যদি থাকে তাহলে সব সংশ্লিষ্ট সেক্টরের অভিজ্ঞতার প্রমাণ দিতে হবে।
বাংক স্টেটমেন্টের দূতাবাসের চাইলে সাম্প্রতিক ব্যাংক লেনদেনের বিবরণ দিতে
হবে।অফার লেটার নিয়োগ কর্তা প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত চাকরির অফার এটা জমা দিতে
হবে।
পুলিশ ক্লিয়ারনে সেটের বাধ্যতামূলক যাতে আপনার কোন অপরাধমূলক রেকর্ড না থাকে তার
প্রমাণ করে। মালটা যেতে এইসব কাগজপত্র লাগবে এছাড়াও এসব কাগজপত্র সঠিকভাবে
প্রস্তুত থাকলে মাইক্রো ওয়ার্ক পারমিট ভিসা প্রক্রিয়া অনেক সহজ হবে এতে আপনার
দ্রুত যাওয়া সম্ভাবনা রয়েছে।
মালটার আবেদন করার নিয়ম
মালটা আবেদন করার নিয়ম সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন। মাই টাই কাজের জন্য আবেদন
করতে কিছু নির্ভরযোগ্য সাইড রয়েছে। এই ওয়েবসাইট গুলোতে গিয়ে প্রোফাইলে তৈরি
করা আবেদন করা যায়। একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো সিভি এবং কভার লেটার এগুলো
আপনার আবেদনের প্রথম ইমপ্রেশন হিসেবে কাজ করে।
কোম্পানি বা কোম্পানির হিট যখন আপনার সিভি দেখবে তখন সেটা হাই কোয়ালিটি হওয়া
উচিত তাদের আকর্ষণ বাড়বে। সেজন্য আপনার সিভি অবশ্যই ইউরোপিয়ান ফরমেটে তৈরি
করা উচিত। এবং সিভি কভার লেটার অবশ্যই ইংরেজিতে স্পষ্ট ও তথ্যভিত্তিক হতে
হবে।
এতে আপনাকে উল্লেখ্য করতে হবে কেন আপনি সে নির্দিষ্ট জবটি করতে চান এবং আপনি
কিভাবে সে জবে দক্ষতা অর্জন করবেন সেগুলো উল্লেখ করতে হবে। যদি সিভি এভাবে
প্রস্তুত করা হয় তাহলে মালটাই কোম্পানি থেকে ভালো রেসপন্স পাওয়া যাবে।
এছাড়াও যদি কোন মাল্টি কোম্পানি আপনাকে চাকরি দেয় তারা আপনাকে জব অফার লেটার
এমপ্লয়মেন্ট কন্টাক্ট এবং স্পন্সর লেটার প্রদান করবে। এই ডকুমেন্টগুলো ভিসা
আবেদন প্রক্রিয়ার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সুতরাং সঠিকভাবে সিভি ও কভার
লেটার তৈরি করা এবং নির্ভরযোগ্য জব সাইট থেকে আবেদন করার মাল্টায় সফলভাবে
চাকরি পাওয়ার প্রথম ধাপসমূহ।
মালটা সর্বনিম্ন বেতন কত
মালটা সর্বনিম্ন বেতন কত সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন। প্রথমে জেনে রাখা দরকার
ইউরোপের প্রায় সব দেশে বেতন ঘন্টা ভিত্তিক নির্ধারণ করা হয় মালটা এর
ব্যতিক্রম নয় কিন্তু। মালটাই সাধারণত প্রতিদিন ৮ ঘন্টা কাজ করতে হয় এবং এই
হিসেবে ঘন্টা প্রতি গড় বেতন হয় ৭০০ ইউরো দিয়ে শুরু হয়।
বেশিরভাগ কোম্পানি সপ্তাহে পাঁচ দিন কাজের সুযোগ দেয় তবে কিছু কোম্পানিতে
শনিবারের ডিউটি করতে হতে পারে। এক সপ্তাহের ঘরে ১৬০ ঘণ্টা কাজ করলে একজন কর্মী
মাস শেষে প্রায় ৯০০ থেকে ১০০০ ইউরো পর্যন্ত বেতন পান তবে এর মধ্যে কর্মীদের
বাসা ভাড়া দৈনন্দিন খরচ বহন করতে হয়।
মাল্টা অতিরিক্ত কাজের ওভারটাইমের সুযোগ রয়েছে যা করে মাসিক আয় এর পরিমান আরো
বেড়ে যাবে যদি আপনি এই সময়টা বের করে আবার টাইম ডিউটি করতে পারেন এতে আপনি
লাভবান হবে। শুরুতে সাধারণত এই বেতন দেওয়া হলো অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি পেলে
বেতন ধীরে ধীরে বাড়তে থাকবে কোন সমস্যা নেই।
অতএব মালটা সফলভাবে কাজ করতে চাইলে সেখানে যাওয়ার আগে নিজেকে দক্ষ করে তোলার
নির্দিষ্ট পেতে পারদর্শী অত্যন্ত জরুরী।
মালটা ভিসা পাওয়ার সহজ উপায়
মালটা ভিসা পাওয়ার সহজ উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন। মালটা যেতে চাইলে
প্রথমে জানার দরকার কিভাবে সহজে মালটার ভিসা পাওয়া যাবে এবং পাশাপাশি কত টাকা
খরচ হতে পারে মাল্টি যেতে কত টাকা লাগবে এগুলো সম্পর্কে আপনার জ্ঞান থাকা
জরুরী। বর্তমানে মালটা সরকারি বিদেশি কর্মীদের জন্য কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম ও
শর্ত চালু করেছে।
যারা মালটা যেতে ইচ্ছুক তাদের অবশ্যই নিয়মগুলো ভালোভাবে বুঝিয়ে আবেদন করতে
হবে। মালটার কাজের জন্য এখন স্কিল সার্টিফিকেট থাকা অত্যন্ত জরুরি অর্থাৎ আপনি
যে কাজের জন্য যেতে চান সেই কাজে আপনাকে দক্ষ হতেই হবে। যারা নিজেদের পেশায়
দক্ষতা প্রমাণ করতে পারেন তাদের জন্য মালটায় যাওয়ার সুযোগ অনেক বেশি হয়ে
যায়।
যদি আপনি জেনারেল ক্যাটাগরিতে মালটা যেতে চান তাহলে মালটা কর্তৃপক্ষ অনুমতিতে
স্কিল বা ট্রেনিং সার্টিফিকেট অর্জন করতে হবে। নির্ধারিত লিংক এর মাধ্যমে
সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন করা যায় যেখান থেকে নির্দিষ্ট প্রেসার এর উপর
প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করে অফিশিয়াল স্বীকৃতি স্কেল সার্টিফিকেট পাওয়া
সম্ভব।
এ সার্টিফিকেট থাকলে আপনার আবেদন প্রক্রিয়া সহজে এবং ভিসা পাওয়ার সম্ভাবনা
অনেক বেড়ে যাবে। মালটা একটু english speaking country তাই ইংরেজি জানা বোঝার
সক্ষমতা থাকলে একটি বড় একটি সুবিধা হিসেবে কাজ করবে আপনার জন্য। কেননা আপনি
চাইলে ইংরেজিতে দক্ষতা প্রমাণের জন্য ইংলিশ সার্টিফিকেট নিতে পারেন।
এছাড়া সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হলো অনলাইনে মালটা সরকারি নির্ধারিত
ওয়েবসাইটে গিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে আপনি কোন পেশায় কাজ করতে চান সেটা
উল্লেখ করে। মালটা যাওয়ার খরচ কেমন হয় সংশ্লিষ্ট কাজটি উল্লেখ করে
স্কিল সার্টিফিকেট নিতে হবে।
অর্থাৎ কোর্স টি আপনার করতে হবে। এরপর সেই সার্টিফিকেট সহ আবেদন করলে আপনার
মাল্টার ভিসা পাওয়া সম্ভব না প্রায় ৯৯% শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পাবে।
সার্টিফিকেট সংগ্রহ করুন তারপর সঠিক নিয়ম মেনে আবেদন করুন তাহলে মাঠে যাওয়ার
পথ অনেক সহজ হয়ে যাবে।
মালটায় কোন কাজের চাহিদা বেশি
মালটায় কোন কাজের চাহিদা বেশি সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন। মালটা যেতে চাইলে
শুধু খরচ নয় বরং কোন কোন সেক্টরের কাজের চাহিদা বেশি তা জানা খুবই জরুরী।
বর্তমানে মালটা এমন একটি দেশ যেখানে ইউরোপের অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশের
জন্য সূর্য অনেক বেশি রয়েছে। সবচেয়ে চাহিদা এখন নার্সিং পেশায় বেশি।
বিশেষ করে যারা বিএসসি নার্সিং ডিগ্রিধারী তাদের জন্য মালটা যেতে পারে ইউরোপে যাওয়ার সেরা সবচেয়ে সহজ গন্তব্যময় স্থান। মাল্টা স্বাস্থ্য খাতে নাচতে বেদনা আকর্ষণ এবং বর্তমানে প্রচুর পথ খালি রয়েছে সেখানে। সবচেয়ে ভালো দিক হলো এই ক্যাটাগরিতে আবেদন করতে স্কেল পার্টস সার্টিফিকেট প্রয়োজনীয়তা যোগ্যতা ইংরেজি দক্ষতা থাকলে মালটা যাওয়ার খরচ কেমন হয় সরাসরি আবেদন করা যায়।
বিশেষ করে যারা বিএসসি নার্সিং ডিগ্রিধারী তাদের জন্য মালটা যেতে পারে ইউরোপে যাওয়ার সেরা সবচেয়ে সহজ গন্তব্যময় স্থান। মাল্টা স্বাস্থ্য খাতে নাচতে বেদনা আকর্ষণ এবং বর্তমানে প্রচুর পথ খালি রয়েছে সেখানে। সবচেয়ে ভালো দিক হলো এই ক্যাটাগরিতে আবেদন করতে স্কেল পার্টস সার্টিফিকেট প্রয়োজনীয়তা যোগ্যতা ইংরেজি দক্ষতা থাকলে মালটা যাওয়ার খরচ কেমন হয় সরাসরি আবেদন করা যায়।
যেহুত নার্সরা সাধারণত ইংরেজি ভাষায় দক্ষ হয়লে তাদের কাজ খুঁজে নেওয়া মানিয়ে
নেওয়া তুলনামূলকভাবে সহজ হয়ে যাবে। যারা বাংলাদেশে বা দেশের বাইরে নার্সিং
প্রশিক্ষণ দিয়েছেন তারা এখন মালটার ভিসার জন্য আবেদন করে দেখতে পারেন।
আরো পড়ুন: ১০ বছর মেয়াদি ৬৪ পৃষ্ঠার পাসপোর্ট এর ফি
বর্তমানে মাল্টি ইউরোপীয় ইউনিয়নের ৩২ টি দেশের মধ্যে একটি দ্রুত উন্নয়নশীল দেশ
হিসেবে পরিচিত পেয়েছে। এখানে ভিসা অনুমোদনের আরো বেশ ভালো প্রায় ৬৫ থেকে ৭০%
আবেদনকারী সফলভাবে ভিসা পান মালটা যাওয়ার খরচ কেমন হয় এবং সাধারণত
দেড় থেকে দুই মাসের মধ্যে ভিসা প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। এছাড়াও নার্সিং ছাড়া
মালটা আরো অনেক ছাত্র কর্মসংস্থান সূর্য রয়েছে সেগুলো নিচে দেওয়া হলো:
- হোটেল রেস্টুরেন্ট
- সুপার মার্কেট
- টুরিস্ট সব
- কনস্ট্রাকশন
- কৃষিকাজ
- এবং ডেলিভারি সার্ভিস সেন্টারের।
এছাড়া মাল টাই কাজ শুরু করার পর দ্রুত টি আর সিও অস্থায়ী বসবাসের অনুমতি
পাওয়া যায় যা ভবিষ্যতে স্থায়ীভাবে থাকার পথকে সহজ করে তোলা।
মালটায় যাওয়ার সেরা সুযোগ কোনটি
মালটায় যাওয়া সেরা সুযোগ কোনটি সে সম্পর্কে জেনে নিন। মালটা যেতে চাইলে শুধু
খরচ জানালে বরং কোন পথে যাওয়া সবচেয়ে সুবিধা জানা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশ থেকে মালটা ইউরোপের একটি সিটিজেন কান্ট্রি হিসেবে পরিচিত ইউরোপের
ঢোকার একটি গুরুত্বপূর্ণ বলতে পারেন। বর্তমান ইউরোপে ক্যারিয়ার গড়ার জন্য
মালটা একটু অন্যতম সেরা গন্তব্য হতে পারে।
মালটা যাওয়ার জন্য মূলত দুই ধরনের ভিসা রয়েছে প্রথম স্টুডেন্ট ভিসা দ্বিতীয় টি
হল ওয়ার্ক পারমিট ভিসা। প্রথমে আপনাকে লক্ষ্য ঠিক রাখতে হবে বা ঠিক করতে হবে যদি
পড়াশোনা পাশাপাশি পার্ট টাইম জব করতে চান তাহলে স্টাডি ভিসার সবচেয়ে মানে
স্টুডেন্ট ভিসা সবচেয়ে উপযুক্ত হবে।
তোর পড়াশোনা ক্লাস ইভেন্টের পাশাপাশি কাজ চালিয়ে যাও অনেক চ্যালেঞ্জিং একটি
বিষয় এটি কিন্তু মাথায় রাখতে হবে। তবু যদি আপনার আত্মবিশ্বাস থাকে স্টুডেন্ট
ভিসা আপনার জন্য কার্যকরী এবং সহজ হতে পারে।
অন্যদিকে যদি আপনার লক্ষ্য একটু অন্য কারেন্ট চাকরি করা বা পরিবারকে সাপোর্ট
দেওয়া এবং ইউরোপের স্টেপ বসবাস স্থাপন করা হয় তাহলে মালটা স্কিল পার্ট স
ওয়ার্ক পারমিট বিশেষ করে হোটেল সেক্টরে সবচেয়ে বেস্ট ও স্মার্ট অপশন মনে করে।
মালটাই একাডেমিক সার্টিফিকেট আছে বাস্তব কাজের অভিজ্ঞতার প্র্যাকটিক্যাল
এক্সপেরিয়েন্স মূল্য অনেক বেশি সেখানে।
টাইগার দক্ষতা অভিজ্ঞতা নিয়ে যাচ্ছেন তাদের জন্য এই পথে সবচেয়ে সুবিধা জনক হবে।
সংক্ষেপে বলতে গেলে আপনার লক্ষ্য দক্ষতার উপর নির্ভর করে স্টাডি ভিসা শিক্ষার্থীর
জন্য সেরা হবে। আর যারা কাজ তাই ভাবে ইউরোপে বসবাস করতে চান তাদের জন্য ওয়ার্ক
পারমিট ভিসা সবচেয়ে কার্যকর হবে।
মালটা স্কিল পাস সার্টিফিকেট কিভাবে পাবেন
মালটা স্কিল পাস সার্টিফিকেট কিভাবে পাবেন সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন। মালটার
স্কিল পাস সার্টিফিকেট পেতে হলে প্রথমে আপনাকে ৪৭৫ ইউরো পরিষদ করতে হবে। এরপর
প্রক্রিয়াটি শুরু হয় ফেস ওয়ান পরীক্ষার মাধ্যমে যা আপনি ঘরে বসিয়ে দিতে
পারবেন।
এরপর প্রক্রিয়াটি শুরু হয় পরীক্ষামূলক আপনার ইংরেজিতে দক্ষতা যাচাই করে কতটা
ভালো লিখতে এবং বলতে পারেন লেখা পড়ে বোঝার ক্ষমতা কতটা ইত্যাদি। পরীক্ষার জন্য
কিছু ভিডিও ক্লিপ পূর্বে দেখা নেওয়া ভালো। ফেস ওয়ান পরীক্ষার পর আশে ফেস টু।
ফেস টু পরীক্ষা দিতে হলে আপনাকে নিকট ডিএফএস গ্লোবাল সেন্টারে যেতে হবে।
সেখানে আপনাকে প্রথমে আপনার profession পেশা নির্বাচন করতে হবে। এবং সে পেশায়
আপনার দক্ষতা যাচাই করতে হবে। এরপর ইংলিশ ইন্টারভিউ নেওয়া হবে যেখানে আপনার
কাজের জন্য ইংরেজির যোগাযোগ করার ক্ষমতা যাচাই করতে হবে এবং আপনি দক্ষ কিনা সেটা
যাচাই করা হবে। ফেস টু উত্তীর্ণ হলে আপনার স্কিল পাস সার্টিফিকেট সম্পূর্ণভাবে
প্রস্তুত হয়।
কে সার্টিফিকেট মাধ্যমে আপনি পরবর্তী ধাপে যেতে পারবেন। ওয়ার্ক পারমিট এর জন্য
আবেদন ওয়ার্ক পারমিট অনুমোদন পাওয়ার পর আপনার সার্টিফিকেট এর অ্যাম্বাসিতে জমা
দিলে ভিসা পাওয়া সম্ভাবনা অনেক বেশি বৃদ্ধি পায়। সংক্ষেপে বলতে গেলে স্কুল পাস
সার্টিফিকেট হলো মালটাই কাজের মূল চাবিকাঠি।
ফেস ওয়ান ও ফেস টু বই পরীক্ষা সফল হয় এবং ইংরেজি ও বিশেষত দক্ষতা প্রমাণ করা
অবশ্যই অনেক জরুরী। বাংলাদেশ থেকে এজেন্সির মাধ্যমে যেতে চান । ফেস টু উত্তীর্ণ
হলে আপনার স্কিল পাস সার্টিফিকেট সম্পূর্ণভাবে প্রস্তুত হয়। এরপর প্রক্রিয়াটি
সম্পন্ন হয়।
বাংলাদেশ থেকে মালটা যাওয়ার উপায়
বাংলাদেশ থেকে মালটা যাওয়ার উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন। বাংলাদেশ থেকে
মালটা যাওয়ার প্রধান দুটি উপায়ে রয়েছে। আপনি চাইলে কোম্পানি বা স্কিল পাস
সার্টিফিকেট ওয়ার্ক পারমিট এর মাধ্যমে এবং এজেন্সির মাধ্যমে যেতে পারবেন। যদি
আপনি কোম্পানির মাধ্যমে যেতে চান তাহলে প্রথমে এই মালটার কোন কোম্পানির সঙ্গে
সরাসরি যোগাযোগ করতে হবে।
কোম্পানি যদি আপনাকে নিয়োগ দিতে রাজি হয় তাহলে তারা ওয়ার্ক পারমিট এর জন্য
আবেদন করবেন। ওয়ার্ক পারমিট পাওয়ার পর আপনাকে ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে এবং
মালটাই প্রবেশের সুযোগ পাবেন।
এ প্রক্রিয়ায় খরচ কিছু টানে নির্ধারিত এবং আপনার দক্ষতা স্কেল পাওয়ার
সার্টিফিকেট থাকলে ভিসা পাওয়া সম্ভাবনা অনেক বেশি। অন্যদিকে যদি এজেন্সির
মাধ্যমে যেতে চান তবে আপনাকে অনুমোদিত নির্ভরযোগ্য এজেন্সি খুঁজে নিতে হবে। সেই
এজেন্সির মাধ্যমে খরচ অপু শেষ কিছুটা পরিবর্তনশীল হয় এবং অন্যান্য খরচ ভিন্ন
ভিন্ন হতে পারে।
এজেন্সি সাধারণত পুরো প্রক্রিয়ার সাহায্যে করে চাকরির সুযোগ ডকুমেন্ট
প্রস্তুতি এবং ভিসা আবেদন করার ক্ষেত্রে। মালটা যাওয়ার জন্য আপনার স্কিল
পাওয়ার সার্টিফিকেট ওয়ার্ক পারমিট এবং ভিসা অবশ্যই প্রস্তুত থাকতে হবে। এবার
ও মালটাই কাজের ধরন এবং সেক্টরের ওপর নির্ভর করে আপনার ইংরেজি দক্ষতা ও
প্র্যাকটিক্যাল অভিজ্ঞতা ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
সংক্ষেপে বলতে গেলে বাংলাদেশ থেকে মালটা যাওয়ার জন্য সরাসরি কোম্পানি অথবা
নির্ভরযোগ্য হয়ে যাচ্ছে এই দুই পথের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে এবং প্রয়োজনীয়
ডকুমেন্টস সম্পন্ন করে রাখতে হবে।
মালটা যেতে কত সময় লাগে
মালটা যেতে কত সময় লাগে সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন। বাংলাদেশ থেকে মালটা
যাওয়ার সময় কাল মূলত আপনার ভিসার প্রকার আবেদন প্রক্রিয়া এবং ডকুমেন্ট
প্রস্তুতির ওপর নির্ভর করে থাকে। যদি আপনি ওয়ার্ক পারমিট ও স্কিল পাস
সার্টিফিকেটের মাধ্যমে যান তাহলে প্রথমে কোম্পানি বা নিয়োগকর্তার মাধ্যমে
ওয়ার্ক পারমিট এর আবেদন করতে হবে।
ওয়ার্ক পারমিট অনুমোদন প্রক্রিয়ায় সাধারণত দুই থেকে তিন মাস সময় লাগে।
ওয়ার্ক পারমিট যাওয়ার বা পাওয়ার পর ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে। মালটার দ্রুত
বাজ বাদ দিয়ে এফ এস গ্লোবালের মাধ্যমে ভিসা প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করতে সাধারণত
১ থেকে ২ মাস সময় লাগে।
অর্থাৎ সব মিলে প্রায় তিন থেকে পাঁচ মাস সময় লাগতে পারে। তবে এটি ডকুমেন্ট
প্রস্তুতে স্কেল পাস পরীক্ষার সময় এবং কোম্পানির প্রসেসিং এর গোপন কিছুটা
পরিবর্তিত হতে পারে। বিষের ক্ষেত্রে সময়কাল তুলনামূলকভাবে কম হতে পারে তবে
পার্ট টাইম জব শো পড়াশোনা পরিকল্পনা থাকলে কিছু অতিরিক্ত সময় প্রয়োজন হতে
পারে আপনার জন্য।
মালটা যেতে কত টাকা লাগে। বাংলাদেশ থেকে মালটা যাওয়ার জন্য সঠিক প্রক্রিয়া
অনুসরণ করলে প্রায় তিন থেকে পাঁচ মাসের মধ্যে পৌঁছানো সম্ভব। মালটা একটু ছোট
দ্বীপ রাষ্ট্র হলে পর্যটনীয় এবং কর্মসংস্থানের দিক থেকে অত্যন্ত সুযোগ জনক।
এটি ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও সেনজেন ভুক্ত এবং পর্যটন হোটেল রেস্টুরেন্ট ও সার্ভিস
সেক্টর এর জন্য বিশ্বব্যাপী পরিচিত।
মালটার আবহাওয়া যার কারণে পর্যটকরা সারা বছর এখানে আসা যাওয়া করে। বিশেষ করে
ব্রিটিশ পর্যটক বেশি আসে ফলে হোটেল ও রেস্টুরেন্ট বিদেশি কর্মীর চাহিদা সব সময়
থাকে। বর্তমানে মালটার ভিসা বেশিভাগ আগের তুলনায় কিছুটা ভালো। যারা মিডিলেস টা
আসেন যা বাংলাদেশের বাইরে থেকে আবেদন করেছেন তাদের ভিসা পাওয়ার সম্ভাবনা
তুলনামূলকভাবে বেশি।
অন্যদিকে বাংলাদেশ থেকে আবেদনকারীরা ক্ষেত্রে কিছুটা চ্যালেঞ্জ থাকতে পারে কারণ
অনেকে এখানে স্কিল পাস ও পরীক্ষার সংক্রান্ত প্রক্রিয়া সম্পর্কে অবগত নন বা
ফেস টেস্ট দিতে পারে না। তবে যদি আপনি ইংরেজিতে দক্ষতা অর্জন করতে পারেন বা
দক্ষ হয়ে থাকেন তাহলে মালটাই কাজে সুযোগ গ্রহণ করা আপনার জন্য দারুন সম্ভাবনা
রয়েছে।
ইংরেজি দক্ষতা থাকলে অনেক কাজ করতে গেলে ভালো হয় এবং দীর্ঘমেয়াদি
কর্মসংস্থানের নিশ্চিত করা সম্ভব হয়। এটি বাংলাদেশ থেকে মাত্র বা যারা করতে
ইচ্ছুক তাদের জন্য একটা বড় সুযোগ যা শুধু পেশাগত উন্নয়ন না অর্থনৈতিক
উন্নয়নের ক্ষেত্রে সহায়ক হবে।
মালটা সারাবছরই সূর্যের আলো পাবেন। এখানে মোটামুটি রকমের বৃষ্টি হয় সেটা
তাপমাত্রা ১৫ থেকে ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও গরমে সর্বোচ্চ ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস
তাপমাত্রা থাকে। নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারিতে আবহাওয়া খুবই শুকনো থাকে।
তাই কাদামাটি এড়িয়ে যেতে চাইলে এ সময় যেতে পারেন। আবার মে থেকে অক্টোবর সুইমিং
সিজন থাকে। তাই লেক সমুদ্র বা নদীতে সাঁতার কাটার ইচ্ছা থাকলে এ সময় যেতে
পারবেন।
লেখক পরিচিতি
মালটা যাওয়ার খরচ কেমন হয় সম্পর্কে সকল আপডেট তথ্য এই সম্পর্কে বিস্তারিত
জানতে পারলেন।কোন দেশে যাওয়ার জন্য সব সময় চেষ্টা করবেন সরকারিভাবে যাওয়ার। আর
যদি বেসরকারি বা এজেন্সির মাধ্যমে যেতে দেন সেক্ষেত্রেও চোখ কান খোলা রেখে পরিচিত
এবং ভালো এজেন্সির মাধ্যমে যাবেন কারণ অনেকে দালালের দ্বারা প্রতারণা শিকার
হচ্ছে।
আর হ্যাঁ আজকে পোস্টটি পড়ে যদি আপনার ভালো লেগে থাকে তাহলে আপনার পরিচিত
মানুষদের সাথে একটু শেয়ার করে দিয়ে তাদের উপকৃত করুন। বিভিন্ন রকম তথ্যমূলক
আর্টিকেল পেতে আমাদের permanentit ওয়েবসাইটে নিয়মিত ভিজিট করুন।



পার্মানেন্ট আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url